Amardesh Online Edition
লক্ষ্মীছড়ির গহিন অরণ্যে কয়লার সন্ধান
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির দুর্গম লক্ষ্মীছড়ির বর্মাছড়ি এলাকার গহিন অরণ্যে এবার কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে। সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে একটি নির্ভরযোগ্য সংবাদের সূত্র ধরে গত ১১ জানুয়ারি ওই এলাকা পরিদর্শন করে মূল্যবান প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদ কয়লার সন্ধান পেয়েছেন বলে স্থানীয় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। খনি এলাকা পরিদর্শন করে তারা কয়লার নমুনাও নিয়ে এসেছেন। বর্মাছড়ি এলাকায় কয়লার খনি আছে, এমন খবর পাওয়ার পর ১২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি লক্ষ্মীছড়ি জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো. সালাহ উদ্দিন আল-মুরাদ ও লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান সকালে কিছুদূর গাড়িতে বাকি রাস্তা পায়ে হেঁটে কয়লার খনি এলাকা পরিদর্শন করতে গিয়ে দেখেন পুরো একটি পাহাড় জুড়েই কয়লা। পাশের ছড়া দিয়ে পানির স্রোতেও কয়লার টুকরো গড়িয়ে যেতে দেখা যায়। স্থানীয় পাহাড়িরা জানান, কেউ কেউ এ পাহাড় থেকে কয়লা নিয়ে বাসাবাড়িতে রান্না করছেন, এমনকি শীতের দিনে শীত নিবারণের কাজেও ব্যবহার করছেন। কয়লা এলাকা পরিদর্শনের সময় লক্ষ্মীছড়ি জোনের অ্যাডজুটেম্লট লে. শামস, বর্মাছড়ি ক্যাম্প কমান্ডার লে. আকবর, লক্ষ্মীছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ মো. শাহজাহান, থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. আবুল হাশেম চৌধুরী, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মকর্তারা ঢাকায় পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে এসেছেন। জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো. সালাহ উদ্দিন আল-মুরাদ জানান, শুধু কয়লাই নয়, এখানে আরও মূল্যবান খনিজ সম্পদ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। লোহাসহ অন্যান্য মূল্যবান খনিজ পদার্থ পাওয়া যেতে পারে। লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, নিঃসন্দেহে এটি কয়লার খনি। এই সম্পদ উত্তোলন করে এলাকা ও দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে। তিনি খুব শিগগিরই খনিজ মন্ত্রণালয়ে এ ব্যাপারে চিঠি লিখবেন বলে জানান।
এর আগে দীঘিনালার প্রত্যন্ত ইরানছড়িতেও কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে। এরই মধ্যে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের দুই কর্মকর্তা ইরানছড়ি পরিদর্শন করে নমুনা নিয়ে গেছেন পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য।
শেষের পাতা
লক্ষ্মীছড়ির গহিন অরণ্যে কয়লার সন্ধান
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির দুর্গম লক্ষ্মীছড়ির বর্মাছড়ি এলাকার গহিন অরণ্যে এবার কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে। সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে একটি নির্ভরযোগ্য সংবাদের সূত্র ধরে গত ১১ জানুয়ারি ওই এলাকা পরিদর্শন করে মূল্যবান প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদ কয়লার সন্ধান পেয়েছেন বলে স্থানীয় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। খনি এলাকা পরিদর্শন করে তারা কয়লার নমুনাও নিয়ে এসেছেন। বর্মাছড়ি এলাকায় কয়লার খনি আছে, এমন খবর পাওয়ার পর ১২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি লক্ষ্মীছড়ি জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো. সালাহ উদ্দিন আল-মুরাদ ও লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান সকালে কিছুদূর গাড়িতে বাকি রাস্তা পায়ে হেঁটে কয়লার খনি এলাকা পরিদর্শন করতে গিয়ে দেখেন পুরো একটি পাহাড় জুড়েই কয়লা। পাশের ছড়া দিয়ে পানির স্রোতেও কয়লার টুকরো গড়িয়ে যেতে দেখা যায়। স্থানীয় পাহাড়িরা জানান, কেউ কেউ এ পাহাড় থেকে কয়লা নিয়ে বাসাবাড়িতে রান্না করছেন, এমনকি শীতের দিনে শীত নিবারণের কাজেও ব্যবহার করছেন। কয়লা এলাকা পরিদর্শনের সময় লক্ষ্মীছড়ি জোনের অ্যাডজুটেম্লট লে. শামস, বর্মাছড়ি ক্যাম্প কমান্ডার লে. আকবর, লক্ষ্মীছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ মো. শাহজাহান, থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. আবুল হাশেম চৌধুরী, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মকর্তারা ঢাকায় পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে এসেছেন। জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো. সালাহ উদ্দিন আল-মুরাদ জানান, শুধু কয়লাই নয়, এখানে আরও মূল্যবান খনিজ সম্পদ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। লোহাসহ অন্যান্য মূল্যবান খনিজ পদার্থ পাওয়া যেতে পারে। লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, নিঃসন্দেহে এটি কয়লার খনি। এই সম্পদ উত্তোলন করে এলাকা ও দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে। তিনি খুব শিগগিরই খনিজ মন্ত্রণালয়ে এ ব্যাপারে চিঠি লিখবেন বলে জানান।
এর আগে দীঘিনালার প্রত্যন্ত ইরানছড়িতেও কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে। এরই মধ্যে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের দুই কর্মকর্তা ইরানছড়ি পরিদর্শন করে নমুনা নিয়ে গেছেন পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য।
শেষের পাতা

. At this stage it can't be even considered as a probable resource. Lot of surveying, drilling, exploration work is required. Even after surveying if they find a huge deposit of coal it will only be mined out if its economical.
owing to its location in the hill tracts of bd.