Spring Onion
PDF VETERAN
^^^^
*.Facepalm*
By? for?-------------
Follow along with the video below to see how to install our site as a web app on your home screen.
Note: This feature currently requires accessing the site using the built-in Safari browser.
^^^^
*.Facepalm*
Btw, I also suspect that current situation is inside job to facilitate a group of people. May be many people will recover their loss after a certain time, but in the mean time a group of people will be benefited.

BD has very less experience in these matters. Also the economy grows, market complexities involved will increase. The regulators will learn as time passes.Don't know if the situation was orchestrated beforehand but the government does have quite a bit of responsibility on the mater. The sec suddenly enforced a law that banks investing on the market should show a reserve of 6.5% from 5% before. So they had to sell this 1.5% which is in huge sums. Now that everyone starts selling the market crashes n burns.
Theres also another MLM company from Malaysia where everyone started investing suddenly(withdrawing money from the stock market),fortunately their transactions are restricted from today.
The government is acting quite irresponsibly on the matter which isn't good.
সাধারণ মূল্যসূচক গতকাল একদিনেই বেড়েছে ১ হাজার ১২ পয়েন্ট। শতাংশ হিসাবে সূচক বৃদ্ধির এ হার ১৫ দশমিক ৫৮ ভাগ। ডিএসইর ইতিহাসে সূচক বৃদ্ধিতে এটি নতুন রেকর্ড। এর আগে ২০০৯ সালের ১৬ নভেম্বর ডিএসইতে সর্বোচ্চ ৭৬৫ পয়েন্ট সূচক বেড়েছিল। মূলত মূলধনের দিক থেকে একক বৃহত্ কোম্পানি গ্রামীণফোনের তালিকাভুক্তির কারণে ওইদিন সূচকের বড় ধরনের উত্থান ঘটেছিল। একমাত্র গ্রামীণফোনের শেয়ারের কারণেই ডিএসই সাধারণ সূচক বেড়েছিল ৭১৭ পয়েন্ট।
স্পর্শ করেছে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৯৫ শতাংশ কোম্পানির দরই সার্কিট ব্রেকারে স্পর্শ করে। কিন্তু সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ দর হাঁকিয়েও ক্রেতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এসব কোম্পানির লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ গত কয়েক দিন ধরেই বাজারে ক্রেতা থাকলেও বিক্রেতা ছিল না। এর ফলে শেয়ারবাজারের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দরপতনের ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু গতকাল ছিল একেবারেই ভিন্নচিত্র।
মার্জিন লোনের সীমা ১:১.৫ থেকে ১:২ হারে বাড়ালেও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো গ্রহকদের সে হারে ঋণ সুবিধা দেয়নি। এ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে মার্চেন্ট ব্যাংক কর্মকর্তাদের বাদানুবাদের ঘটনা ঘটে। এমনকি কয়েকটি মার্চেন্ট ব্যাংকে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা ভাংচুর চালায়। এর ফলে দুটি মার্চেন্ট ব্যাংকের ব্রোকারেজ হাউস;ের লেনদেন বন্ধ করতে বাধ্য হন সংশ্লিষ্টরা। লেনদেন বন্ধ হয়ে যাওয়া ব্রোকারেজ হাউস দুটি হলোআইডিএলসি সিকিউরিটিজ এবং আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক ব্রোকারেজ হাউস। এছাড়া নতুন হারে ঋণ না দেয়ায় বিক্ষোভ হয়েছে আইসিবি, প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট, উত্তরা ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক ব্রোকারেজ হাউসসহ বেশ কটি ব্রোকারেজ হাউসে।
যেভাবে মার্কেটে দর বেড়ে গেছে এ অবস্থায় ১:২ হারে ঋণ দিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতো। বড় বিনিয়োগকারীদের ঋণ দেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত আমি এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাইনি। সুতরাং এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারব না।
যেভাবে দরবৃদ্ধি হয়েছে তাও কাঙ্ক্ষিত নয়। বিনিয়োগকারীদের আরও সতর্ক হতে হবে। বিনিয়োগকারীদের অতিমূল্যায়িত শেয়ার থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তিনি আরও বলেন, বাজারে সরকারি শেয়ার নিয়ে আসতে হবে, যৌক্তিক মূল্যে আইপিও নিয়ে আসতে হবে, যাতে অতিমূল্যায়িত বাজার থেকে বিনিয়োগকারীরা বের হয়ে আসতে পারেন। আর সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদশ ব্যাংক ও এসইসির মধ্যে সমন্বয় দরকার।